পোস্টগুলি

ছবি
ভারতের সংবিধানে বর্ণিত নাগরিকদের মৌলিক কর্তব্য গুলি লেখ? অধিকার ও কর্তব্য অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত। কর্তব্য ছাড়া অধিকার ভোগ করা যায় না কারণ অধিকারের মধ্যে কর্তব্য নিহিত রয়েছে তাই ভারতের সংবিধানে মৌলিক অধিকারের সঙ্গে কর্তব্য লিপিবদ্ধ রয়েছে তবে 1976 সালে 42 তম সংবিধান সংশোধনীর দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ অধ্যায়ের [৫১(ক)] নং ধারায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ ক্ষেত্রে সোভিয়েত ইউনিয়নের মৌলিক কর্তব্য গুলি দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে ভারতের মৌলিক কর্তব্য গুলি প্রস্তুত করা হয়। বর্তমানে ভারতের মৌলিক কর্তব্য সংখ্যা 11 টি। এই মৌলিক কর্তব্য গুলি হল :-  ১. সংবিধান মেনে চলা , সংবিধানের আদর্শ , প্রতিষ্ঠানসমূহ, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সংগীতের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হবে। ২. যে সকল মহান আদর্শ স্বাধীনতা সংগ্রামকে অনুপ্রাণিত করেছিল সেগুলোর প্রতি আনুগত্য দেখাতে ও অনুসরণ করতে হবে। ৩. ভারতের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য ও সংহতি কে সমর্থন ও রক্ষা করতে হবে। ৪. দেশ রক্ষা ও জাতীয় সেবা কার্যে আত্ম-নিয়োগের জন্য আহূত হলে সারা দিতে হবে। ৫. ধর্মগত, ভাষাগত, অঞ্চলগত বা শ্রেণীগত বিভেদের উর্ধে উঠে...

সার্বভৌমিকতার একাত্ববাদী তত্ত্ব আলোচনা কর।

ছবি
সার্বভৌমিকতা হল রাষ্ট্রের অন্যতম আবশ্যিক গঠনকারী উপাদান। সার্বভৌমিকতার ইংরেজি শব্দ ' Sovereignty ' কথাটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ 'Superanus' থেকে। যার অর্থ হলো চরম্ বা সর্বশ্রেষ্ঠ। রাষ্ট্র কর্তৃক ব্যবহৃত চরম ক্ষমতাকেই সার্বভৌমিকতা সাধারণভাবে বলা হয়। সার্বভৌমিকতার একাত্ববাদী তাত্ত্বিকদের নাম গুলি হল :- Hobbs, John Austin, Bodin, Rausseau . সার্বভৌমিকতার একাত্ববাদ সম্পর্কে জন অস্টিন একটি সংজ্ঞা দিয়েছিলেন। অস্টিনের সংজ্ঞাটি হলো:- যদি কোন একটি সমাজে সুনির্দিষ্ট এমন কোন উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ থাকে যে বা যারা অনুরূপ অপর কোনো কর্তৃপক্ষের প্রতি আনুগত্য থাকেনা কিন্তু সেই সমাজের সকল মানুষের স্বাভাবিক আনুগত্য লাভ করে থাকে তাহলে সেই উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে সার্বভৌম বলা হয় এবং সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ সহজে সমাজ তা একটি স্বাধীন ও রাজনীতি সমাজ। অস্টিনের এই সংজ্ঞাটি বিশ্লেষণ করলে সার্বভৌমিকতার একাত্ববাদ তত্ত্বের কতগুলি বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এগুলি হল:- ১. অস্টিনের মতে সার্বভৌম বলতে নির্দিষ্ট মানবীয় কর্তৃপক্ষের ক্ষমতাকে বোঝায় এটি জনসাধারণের ইচ্ছে প্রভ...

GK

১. মানুষ প্রজাতির বৈজ্ঞানিক নাম কি? উত্তর :- হোমোসেপিয়েন্স ২. ভারত কোন জলবায়ুর দেশ? উত্তর :- মৌসুমী জলবায়ু ৩. বায়ুমন্ডলে কোন গ্যাসের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি? উত্তরঃ - নাইট্রোজেন (৭৮.০৮%) ৪. কোন যন্ত্রের সাহায্যে বায়ুর চাপ মাপা হয়? উত্তর :- ব্যারোমিটার ৫. কোন যন্ত্রের সাহায্যে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ মাপা হয়? উত্তর :- রেন গজ ৬. কোন যন্ত্রের সাহায্যে বায়ুর উষ্ণতা মাপা হয়? উত্তর:- সিক্সের লঘিষ্ঠ ও গরিষ্ঠ থার্মোমিটার ৭. তৈগা শব্দের অর্থ কি? উত্তর:- বসন্তকালীন বনভূমি ৮. শক্তি কোন এককের সাহায্যে মাপা হয়? উত্তর :- calorie একক বা জুল একক। ৯. ভূমিকম্পের কোন তরঙ্গটি সবচেয়ে শক্তিশালী? উত্তর:- P তরঙ্গ ১০. ভূমিকম্পের কোন তরঙ্গটি সবচেয়ে দুর্বল? উত্তর:- S তরঙ্গ

বাংলা শব্দভাণ্ডার

ভাষার সম্মান নির্ভর করে তার প্রকাশ ক্ষমতার ওপর । যে ভাষা যত বিচিত্র ভাববস্তু এবং যত বেশি অনুভূতি প্রকাশ করতে সক্ষম সে ভাষা ততবেশি উন্নত । ভাষার এই প্রকাশ ক্ষমতার আধার হলো ভাষার শব্দ সম্পদ । ভাষার এই শব্দ সম্পদ 3 ভাবে সমৃদ্ধ হয় ১. উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত প্রাচীন ভাষা সাহায্যে । ২.অন্য ভাষা থেকে গৃহীত আগন্তুক শব্দের সাহায্যে এবং ৩. নতুন সৃষ্ট শব্দের সাহায্যে । আজকের উন্নত বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে তুলেছে বাংলা শব্দ ভান্ডার কে আমরা উৎসগত দিক থেকে তিন ভাগে ভাগ করতে পারি। যথা:- ১. মৌলিক শব্দ ২. আগন্তুক শব্দ ৩. নব গঠিত শব্দ ১. মৌলিক শব্দ:- যেসব শব্দ প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা বৈদিক ও সংস্কৃত থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে বাংলায় এসেছে সেগুলিকে মৌলিক শব্দ বলে। এই মৌলিক শব্দগুলিকে আবার তিন ভাগে ভাগ করা যায় :- ১.তৎসম ২.অর্ধ তৎসম ৩.তদ্ভব ∆ তৎসম:- যেসব শব্দ প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে অপরিবর্তিতভাবে বাংলায় এসেছে সেগুলিকে তৎসম শব্দ বলে। এর মূল উৎস হলো বৈদিক ও সংস্কৃত ভাষা। বাংলায় প্রচলিত তৎসম শব্দের সংখ্যা কম নয়। যেমন - জ...

বঙ্গদর্শন পত্রিকা

ছবি
বঙ্কিমচন্দ্রের চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক প্রকাশিত মাসিক পত্রিকা বঙ্গদর্শন । বহরমপুরে সরকারি চাকরিতে অধিষ্ঠিত থাকার সময় তিনি এই পত্রিকার প্রকাশের পরিকল্পনা করেন সাহিত্য মূলক রচনা বৈচিত্র সৌন্দর্য ও রুচির দিক থেকে এটি ছিল ঊনবিংশ শতকের শ্রেষ্ঠ পত্রিকা । রবীন্দ্রনাথ পত্রিকাটির আবির্ভাব সম্পর্কে স্মৃতিচারণা করেছেন এইভাবে "পূর্বে কি ছিল এবং পরে কি পাইলাম তাহা দুই কালের সন্ধিস্থলে দাঁড়াইয়া আমরা এক মুহূর্তে অনুভব করিতে পারিলাম"। বঙ্কিমচন্দ্র ছিলেন একাধারে এই পত্রিকার সম্পাদক ও প্রধান লেখক। পত্রিকাটি কিছু দিন বন্ধ থাকার পর বঙ্কিমচন্দ্রের অগ্রজ সঞ্জীব চন্দ্রের সম্পাদনায় এটি পুনঃ প্রকাশিত হয়। বাংলা সাহিত্যে এই পত্রিকার অবদান নানা দিক থেকে উল্লেখযোগ্য সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র প্রথম সামাজিক উপন্যাস 'বিষবৃক্ষ' প্রধান উপন্যাস গুলি এবং বহু প্রবন্ধ এখানে প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকাটি কেন্দ্র করে বঙ্কিম অনুসারী এবং তার বাইরে এক বৃহৎ লেখক গোষ্ঠী গড়ে ওঠে। ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এর মতো লেখকদের পাশাপাশি দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর , তরুণ রবীন্দ্রনাথের লেখাও এখানে প্রকাশিত হয় এই পত্রি...

SumTalks: বাংলা ভাষার উদ্ভবের ইতিহাস সংক্ষেপে বর্ণনা কর।

SumTalks: বাংলা ভাষার উদ্ভবের ইতিহাস সংক্ষেপে বর্ণনা কর। : খ্রিস্টীয় হাজার সালের পূর্বেকার বাংলা ভাষার কোন নিদর্শন না থাকায় বাংলা ভাষার উৎস খোঁজা কঠিন তবে এতটুকু জানা গেছে আধুনিক ভারতীয় আর্য ভাষা...

বাংলা ভাষার উদ্ভবের ইতিহাস সংক্ষেপে বর্ণনা কর।

খ্রিস্টীয় হাজার সালের পূর্বেকার বাংলা ভাষার কোন নিদর্শন না থাকায় বাংলা ভাষার উৎস খোঁজা কঠিন তবে এতটুকু জানা গেছে আধুনিক ভারতীয় আর্য ভাষার অন্যতম হলো বাংলা ভাষা। সংস্কৃতির সঙ্গে এর সাদৃশ্য আছে কিন্তু তা প্রত্যক্ষ নয়। sanskrit হল ইন্দো-ইউরোপীয় বংশের প্রাচীন ভাষা। বাংলা ভাষা উদ্ভবের সূত্র পৃথিবীর ভাষা বংশের নিহিত। ভাষার সাদৃশ্য বিচারে পৃথিবীর প্রায় 4000 ভাষাকে বারটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রধানএর মধ্যে প্রধান ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাবংশ।                    ইউরোপ ও এশিয়ার বহু ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাবংশ থেকে এসেছে । ক্রমবিবর্তনের পথে বাংলা ভাষার জন্ম এই উন্নত বংশে। এই ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার দুটি গুচ্ছ :- ১. সত্যম ২. কেন্তুম। সত্যম গুচ্ছের একটি ভাষা ইন্দো-ইরানীয়। এই ইন্দো-ইরানীয় শাখা ভারতের সিন্ধু উপকূলে প্রবেশ করে প্রায় 2000 বছর আগে। ভারতে প্রবেশকারী শাখা ভারতীয় আর্য নামে পরিচিত হয়  । খ্রিস্টের জন্মের আগে প্রায় দুই হাজার বছর ধরে প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার বিস্তৃতি ও বিবর্তন চলে। এই বিবর্তনের তিনটি ভাগ :- ১. প্রাচীন ভা...